amaj7 তৈরি হয়েছে বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের কথা মাথায় রেখে — নিরাপদ পরিবেশে, নিজের ভাষায়, পরিচিত পেমেন্টে। আমরা বিশ্বাস করি গেমিং হওয়া উচিত আনন্দের, বোঝার নয়।
amaj7 শুধু একটি গেমিং প্ল্যাটফর্ম নয় — এটি বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের জন্য একটি বিশ্বস্ত বিনোদনের জায়গা।
বাংলাদেশের প্রতিটি কোণের খেলোয়াড়ের কাছে নিরাপদ, স্বচ্ছ এবং উপভোগ্য অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া। ভাষার বাধা নেই, প্রযুক্তির জটিলতা নেই — শুধু খেলার আনন্দ।
২০২৭ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বিশ্বস্ত বাংলাভাষী গেমিং প্ল্যাটফর্ম হওয়া, যেখানে খেলোয়াড়রা নিজেদের নিরাপদ মনে করেন এবং বারবার ফিরে আসতে ভালোবাসেন।
প্রতিটি লেনদেনে সততা, প্রতিটি বোনাসে স্বচ্ছতা এবং প্রতিটি সমস্যায় দ্রুত সমাধান। amaj7 কোনো দিন খেলোয়াড়ের বিশ্বাসকে হালকাভাবে নেয় না।
বাজারে অনেক প্ল্যাটফর্ম আছে — কিন্তু amaj7 যে কারণে আলাদা সেটা একবার দেখুন।
amaj7 প্ল্যাটফর্মের প্রতিটি কোণ বাংলায় লেখা। মেনু, নিয়মকানুন, সাপোর্ট চ্যাট — সবকিছু আপনার মাতৃভাষায়। ইংরেজি না জানলেও কোনো সমস্যা নেই।
Mobile Pay, Nagad এবং Rocket — এই তিনটি পরিচিত মাধ্যমে সরাসরি ডিপোজিট ও উইথড্র করুন। ক্রেডিট কার্ড বা ব্যাংক ট্রান্সফারের জটিলতা নেই।
২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশন, টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন এবং রিয়েল-টাইম ফ্রড মনিটরিং দিয়ে আপনার অ্যাকাউন্ট ও টাকা সুরক্ষিত রাখা হয়।
স্লট, লাইভ ক্যাসিনো, স্পোর্টস বেটিং, লটারি — ৫০০-এরও বেশি গেম একটি প্ল্যাটফর্মে। প্রতি সপ্তাহে নতুন গেম যোগ হচ্ছে।
স্বাগত বোনাস থেকে সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক, রেফারেল পুরস্কার থেকে ভিআইপি এক্সক্লুসিভ সুবিধা — amaj7-এ বোনাসের কোনো শেষ নেই।
রাত ৩টায় সমস্যা হলেও amaj7 সাপোর্ট টিম আপনার পাশে আছে। লাইভ চ্যাট, ইমেইল এবং হোয়াটসঅ্যাপে যেকোনো সময় সাহায্য পান।
amaj7-এ কোনো লুকানো ফি নেই, কোনো লুকানো শর্ত নেই। প্রতিটি বোনাস ও পেমেন্টের নিয়ম পরিষ্কারভাবে জানানো হয়।
প্রতিটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় খেলোয়াড়দের অভিজ্ঞতা উন্নত করার লক্ষ্যে। আপনার মতামত আমাদের কাছে সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ।
amaj7 বিশ্বাস করে গেমিং বিনোদনের জন্য, আসক্তির জন্য নয়। তাই আমরা সেলফ-লিমিট, কুলডাউন এবং দায়িত্বশীল গেমিং টুলস অফার করি।
প্রযুক্তি ও গেমিং ইন্ডাস্ট্রির সাথে তাল মিলিয়ে amaj7 সবসময় নতুন ফিচার, গেম ও সুবিধা যোগ করে চলেছে।
বাংলাদেশের সংস্কৃতি, উৎসব ও পেমেন্ট অভ্যাস বুঝে amaj7 সেই অনুযায়ী সেবা তৈরি করে — বিদেশি কোম্পানির মতো নয়।
একটি ছোট্ট দল মিলে স্বপ্ন দেখলেন — বাংলাদেশিদের জন্য, বাংলাদেশিদের মতো একটি গেমিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে হবে। সেই স্বপ্ন থেকেই amaj7-এর জন্ম।
প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে Mobile Pay পেমেন্ট গেটওয়ে সংযুক্ত করে amaj7 স্থানীয় খেলোয়াড়দের কাছে পৌঁছানোর পথ খুলে দেয়।
মাত্র দুই বছরের মধ্যে amaj7 এক লক্ষ নিবন্ধিত সদস্যের মাইলফলক স্পর্শ করে। লাইভ ক্যাসিনো ও স্পোর্টস বেটিং চালু হয়।
নিয়মিত খেলোয়াড়দের জন্য বিশেষ সুবিধা নিয়ে ভিআইপি প্রোগ্রাম চালু হয়। Nagad ও Rocket পেমেন্ট যোগ করা হয়।
Android ও iOS-এ amaj7 অ্যাপ প্রকাশিত হয়। স্মার্টফোন থেকে সহজে খেলার সুযোগে নতুন খেলোয়াড়দের সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে।
আজ amaj7 বাংলাদেশের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল গেমিং প্ল্যাটফর্মগুলোর একটি। ৫ লক্ষেরও বেশি সক্রিয় সদস্য নিয়ে আমাদের যাত্রা অব্যাহত।
২০১৯ সালে যখন amaj7-এর যাত্রা শুরু হয়, তখন বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং ইন্ডাস্ট্রি এখনও পরিপক্ব হয়নি। বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম ছিল বিদেশি, ইন্টারফেস ছিল ইংরেজিতে, এবং পেমেন্ট করতে হতো ক্রেডিট কার্ডে — যা বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কাছে দুর্গম ছিল। একটি তরুণ দল ভাবলেন, এটা বদলানো দরকার।
সেই চিন্তা থেকেই amaj7-এর জন্ম। শুরু থেকেই লক্ষ্য ছিল একটাই — বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলাদেশের মানুষের মতো একটি গেমিং অভিজ্ঞতা তৈরি করা। বাংলায় কথা বলা, বাংলাদেশি পেমেন্ট মাধ্যম ব্যবহার করা, এবং স্থানীয় উৎসব ও সংস্কৃতির সাথে তাল মিলিয়ে চলা।
amaj7 একটি সম্পূর্ণ অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম। এখানে আপনি স্লট গেম, লাইভ ক্যাসিনো, স্পোর্টস বেটিং, লটারি এবং আরও নানা ধরনের গেম উপভোগ করতে পারবেন। অ্যাকাউন্ট খোলা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং মাত্র কয়েক মিনিটের কাজ।
ডিপোজিট করতে পারবেন Mobile Pay, Nagad বা Rocket-এর মাধ্যমে — যেটা আপনার সুবিধামতো। জেতা টাকা উইথড্র করলে সাধারণত ১৫ মিনিট থেকে ২ ঘণ্টার মধ্যে আপনার মোবাইল ওয়ালেটে চলে আসে। কোনো জটিল ব্যাংকিং প্রক্রিয়া নেই।
অনলাইনে টাকা লেনদেন করা মানেই একটা ঝুঁকির বিষয় — এটা আমরা জানি। তাই amaj7 শুরু থেকেই নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছে। ২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশন মানে আপনার প্রতিটি লেনদেন পুরোপুরি এনক্রিপ্টেড। টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন আপনার অ্যাকাউন্টে অতিরিক্ত সুরক্ষার স্তর যোগ করে।
এছাড়া amaj7-এর রিয়েল-টাইম ফ্রড ডিটেকশন সিস্টেম সবসময় সক্রিয় থাকে। কোনো সন্দেহজনক কার্যক্রম সনাক্ত হলে তাৎক্ষণিকভাবে অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত করা হয় এবং খেলোয়াড়কে জানানো হয়।
amaj7 জানে যে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের চাহিদা বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে আলাদা। তাই এখানে কিছু বিশেষ সুবিধা রয়েছে:
amaj7 দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে গেমিং হওয়া উচিত বিনোদনের একটি মাধ্যম — জীবিকার বিকল্প নয়। তাই আমরা দায়িত্বশীল গেমিংকে শুধু স্লোগান হিসেবে নয়, বাস্তবে প্রয়োগ করি।
প্রতিটি অ্যাকাউন্টে ডিপোজিট লিমিট, সেশন লিমিট এবং সেলফ-এক্সক্লুশন অপশন পাওয়া যায়। যদি কোনো খেলোয়াড় মনে করেন তাদের গেমিং অভ্যাস নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাচ্ছে, তারা সরাসরি সাপোর্ট টিমের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন এবং আমরা সাহায্য করব।
amaj7-এ ১৮ বছরের কম বয়সীদের অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি নেই। নিবন্ধনের সময় বয়স যাচাই করা হয়। এটি শুধু নিয়মের ব্যাপার নয় — এটি আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
amaj7-এর পেছনে রয়েছেন অভিজ্ঞ প্রযুক্তিবিদ, গেমিং বিশেষজ্ঞ, ফিনটেক পেশাদার এবং কাস্টমার সার্ভিস বিশেষজ্ঞদের একটি নিবেদিত দল। বেশিরভাগ টিম মেম্বার বাংলাদেশি — তারা জানেন এই দেশের মানুষ কী চান, কী বোঝেন, কীভাবে কাজ করতে ভালোবাসেন।
আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং টি ম কাজ করেন প্ল্যাটফর্মের গতি ও নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করতে। কাস্টমার সাপোর্ট টিম কাজ করেন আপনার সমস্যা দ্রুত সমাধান করতে। আর প্রোডাক্ট টিম কাজ করেন প্রতিনিয়ত নতুন ফিচার ও গেম যোগ করতে — যাতে amaj7 সবসময় তাজা ও আকর্ষণীয় থাকে।
আমরা থামিনি, থামার কোনো ইচ্ছেও নেই। আগামী বছরগুলোতে amaj7 আরও বেশি গেম, আরও দ্রুত পেআউট, আরও উন্নত মোবাইল অভিজ্ঞতা এবং আরও বেশি বোনাস অফার নিয়ে আসবে। আমাদের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় amaj7-কে একটি পরিচিত নাম করে তোলা।
আপনি যদি এখনও amaj7-এর সদস্য না হয়ে থাকেন, তাহলে আজই যোগ দিন। প্রথম ডিপোজিটে ১৫০% স্বাগত বোনাস পাচ্ছেন — এই সুযোগ মিস করবেন না।
নিবন্ধন বিনামূল্যে, মাত্র ২ মিনিটের কাজ। প্রথম ডিপোজিটে পাচ্ছেন ১৫০% স্বাগত বোনাস। আর অপেক্ষা কেন?